বাংলা মজাদার ধাঁধা
ধাঁধা হলো গ্রাম বাংলার এক ঐতিহ্য। ধাঁধা মানুষের মস্তিষ্কে আরো সক্রিয় করে তুলো।তাই মাঝে মাঝে ধাঁধা সমাধানের চেষ্টা করা উচিত।
আসুন আমরা এখন কিছু মজাদার ধাঁধা সমাধান করে আসি।
ধাঁধা ১ঃ-
মানুষ নয়, প্রাণীও নয়, তবুও পিছে পিছে ঘুরে,লাথি দিলে তারে, সেও যে লাথি দেয় অনেক জোড়ে।
উত্তর ঃ ছায়া।
ধাঁধা ২ঃ-
হাতিও নয় ঘোড়া ও নয়, মোটা মোটা তার পা।তরু ও নয়, লতা ও নয়, তবুও ফুলে ভরা তার গা।
উত্তর ঃ পালঙ্ক।
ধাঁধা ৩ঃ-
তিন অক্ষরে নাম তার বাংলাদেশে নয়, প্রথম অক্ষর বাদ দিলে অনেক লোকে খায়।
উত্তর ঃ জাপান।
ধাঁধা ৪ঃ-
অলি অলি পাখিগুলো গলি গলি যায়, সর্ব অঙ্গ ছেড়ে দিলে চোখ ফোলে যায়।
উত্তর ঃ ধোঁয়া।
ধাঁধা ৫ঃ-
উড়তে পাখি উনুর ধুনুর বসতে পাখি ধন্দা, আহার করতে যায় পাখি লেজ থাকে তার বান্ধা।
উত্তর ঃ জাল।
ধাঁধা ৬ঃ-
হাতেই আছে, আবার হাতেই নায়, হাত বাড়ালে পাবি কোথায়।
উত্তর ঃ কনুই।
ধাঁধা ৭ঃ-
চাই নাকো,তবু খাই। বেশি খেলে আবার মারা যায়।
উত্তর ঃ পিটুনি।
ধাঁধা ৮ঃ-
দুটি অক্ষরে নাম তার, বিশাল একটি গাছ। নামটা তার উল্টো দিলে আবার পুতি চারাগাছ।
উত্তর ঃ বটগাছ।
ধাঁধা ৯ঃ-
সকলেরই শিরে ধরে, না ধরে কারো কেশে। হাত ও নাই পা ও নাই, বলোতো ধরে সে কিসে।
উত্তর ঃ মাথা ধরা।
ধাঁধা ১০ঃ-
সবকিছু সে পাড়ি দিয়ে যায়, কিন্তু নদীর পাড়ে যখন যায়, সে এমনি থেমে যায়। বলুন ত এটি কি?
উত্তর ঃ রাস্তা।
ধাঁধা ১১ঃ-
শরীরে তার কাঁটায় ভরা সজারু সেত নয়, মানুষে পেলে গন্ধ কেবল তখনি ছেদ হয়।
উত্তর ঃ কাঁঠাল।
ধাঁধা ১২ঃ-
আহার্য নয়, তবুও এটি খায় মানুষ জন। অনিচ্ছা থাকতেও বাধ্য হয়, করিতে ভক্ষন।
উত্তর ঃ আচার।
ধাঁধা ১৩ঃ-
জলেই রই, বা স্থলেই রই, জল বিনা আমি কিছু নয়।বলুন ত বন্ধুরা এই আমিটা কে?
উত্তর ঃ বরফ।
ধাঁধা ১৪ঃ-
লাল বরণ, ছয় চরণ, কেবল পেট ফাটলেই হাটে। মূর্খ লোকে বলবে কি আর, পন্ডিত এর ত শির ফাটে।
উত্তর ঃ ডাস পিঁপড়া।
ধাঁধা ১৫ঃ-
তিন বীর, বারো তার শির, আর বএিশ তার লোচন। ভূমিতে পরিয়া বীর করে কেন মহারণ।
উত্তর ঃ পাশার ঘুটি।
ধাঁধা ১৬ঃ-
ভন্ ভন্ করে সে সত্য, তবু ভোমড়া ত সে নয়। গলায় আছে পৈতা তার বামন তবু সে নয়।
উত্তর দাও।
ধাঁধা ১৭ঃ-
কাটা ভরা অঙ্গ তাঁর, সুদীর্ঘ আকার প্রাণ আছে তার। শিরের আগায় সম্বার, জিহ্বায় আছে মধু, মধু খানি বিন্দু বিন্দু ঝরে, আর মানুষ তা পান করে।
উত্তর ঃ খেজুর গাছ।
ধাঁধা ১৮ঃ-
ভয়ঙ্কর পথিক সে সকলে যে তারে ডরাই। খানিক বাদে কাদিয়া সে সাগরে সে যে ভাসায়।
উত্তর বৃষ্টি।
ধাঁধা ১৯ঃ-
একটু খানি পুষ্পরিনী, টলমল সে যে করে। একটু খানি কুটা পড়লে টলমল করে তার জলে।
উত্তর ঃ চোখ।
ধাঁধা ২০ঃ-
আধার তার পুকুর খানি, গরাতার মাঠ। বএিশটা তার কলা গাছ, একখানি থাকে তার পাট।
উত্তর ঃ দাঁত ও জিহবা।
ধাঁধা ২১ঃ-
কোন দেশটা ঝুলে গাছে, আবার কোন দেশটা বাজে। কোন দেশ এটা বলো দেখি ঘিতে তারে ভাজে।
উত্তর ঃ মরিচ, কাশী,পুরী।
ধাঁধা ২২ঃ-
চৌদ্দ পুরুষ তারে ডাকছে মামা, আমি তাই তারে ডাকি।সর্ব জনেরই মামা তিনি নামটা কি তার জানি?
উত্তর ঃ সূর্য মামা।
ধাঁধা ২৩ঃ-
কোন ফলের বীজ নাই,একবার বলুন ত দেখি আমার দাদা। এবার যদি বলতে না পরেন আমি বুঝবো আপনি একটা গাধা।
উত্তর ঃ নারকেল।
ধাঁধা ২৪ঃ-
সু সু সু হে হে হে বলুন ত আপনার গা ছোয়ে গেলো কে? যদি বুঝতে পারেন, বলুত এবার সে কে?
উত্তর ঃ বাতাস।
ধাঁধা ২৫ঃ-
পানির ত সে জন্তু নয়, তবুও পানিতে সে বাস করে। হাত নেই পা নেই তবু কেমনে সে সাঁতার কাটে?
উত্তর ঃ নৌকা।
ধাঁধা ২৬ঃ-
তিন অক্ষরে নাম তার, সবার ঘরে সে রই। প্রথম অক্ষর বাদ দিলে সর্ব লোকে খায় তারে। পেট তার কেটে দিলে, সে যে সুমধুর গান গায়, মাঝের নয়, প্রথম অক্ষর বাদ দিলে সে যে খুব কামড়ায়।
উত্তর ঃ ছানা।
ধাঁধা ২৭ঃ-
বলুত ত এমন কি সে বস্তু, পৃথিবীতে অস্তিত্ব তার নেই। তবুও তোমার আমার মুখের কথয় আছে সেই।
উত্তর ঃ ঘোড়ার ডিম।
ধাঁধা ২৮ঃ-
দুটি অক্ষরের নামটি তার বহু লোকেই খায়, শেষের অক্ষর বাদ দিলে কিন্তু সে আবার হেটে চলে যায়।
উত্তর ঃ পান।
ধাঁধা ২৯ঃ-
দুটি অক্ষরের নাম তার, সে যে লজ্জা নিবারণী, প্রথম অক্ষর বাদ দিলে সে হয় গো আমার মাজননী, আবার তার শেষের অক্ষর বাদ দিলে সে আবার হয় ভাশুরেী ঘরণী।
উত্তর ঃ জামা।
ধাঁধা ৩০ঃ-
কৃষ্ণ বর্ণ তনু খান, গুটি ছয়েক পা।চুপি সারে রক্ত খায়, নাহি কাটে রা।
উত্তর ঃ উকুন।
ধাঁধা ৩১ঃ-
প্রাণ নেই বন্ধু ও সে নয়, চলে আবার সাথে সাথে। আলো পেলে তবেই চলে দিনে কিবা রাতে।
উত্তর ঃ ছায়া।
ধাঁধাঁ, ধাধা, ধাঁধা


0 মন্তব্যসমূহ