পেটে মেদ বা চর্বি হলে চলাফেরা যেমন কষ্ট হয়, তেমনি নষ্ট হয় সৌন্দর্য। অনেকে আছে যারা এতো মোটা কিন্তু পেটের মেদ এর জন্য সমস্ত সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়
পেটে অতিরিক্ত মেদ হইয়ার কারন কি ?
অস্বাস্থ্যকর খাবার
বর্তমানে এমন মানুষ খুবই কম পাওয়া যাবে যারা জাঙ্ক ফুড (junk food) খেতে পছন্দ করে না। বিভিন্ন ধরণের ফাস্টফুড, ভাজাপোড়া , মিষ্টি জাতীয় খাবার গুলো আমাদের দেহে ক্যালোরি পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে পারে যা আমাদের বিপাকতত্নের ক্রিয়া হ্রাস করে দেয়। ফলস্বরুপ পেটের মেদ বেড়ে যায়।
দুঃশ্চিন্তা
বর্তমানে ভয়নাক এক রোগের নাম দুঃশ্চিন্তা । দুঃশ্চিন্তা আবার পেটের মেদ বাড়ায় কি করে? জি পেটের বাড়তি মেদের জন্য দুঃশ্চিন্তা অনেকাংশে দায়ী।
মানুষ যখন ডিপ্রেশনে থাকে তখন তার দেহে এড্রিনাল গ্রন্তি এক ধরনের হরমোন তৈরী করে,যা আমাদের যকৃত থেকে চিনি নিঃসরণ করে ।এটি পেটের চর্বি বৃদ্ধি করে থাকে।
অনিয়মত ঘুম
পড়াশোনা, কাজ কিংবা দুঃশ্চিন্তার কারনে প্রায় সবার মধ্যে অনিয়মিত ঘুমের অভ্যাস দেখা যাই। ফলে দেহে অতিরিক্ত ক্যালরি খরচ হ্যে খিদে বাড়ায়।যার ফলে অতিরিক্ত খাবার যোগ হয় খাদ্য তালিকায়
পেটের মেদ কমানোর ঘরোয়া উপায়
১-লাল চাল ও লাল আটা _লাল চালের ভাত আর লাল আটার রুটি পেটের মেদ কমাতে যথেষ্ট সহয়তা করে কারণ এতে রয়েছে ফাইবার। তাই প্রতিদিনের খাদ্যভাসে এটি রাখে পারেন।

২-পানি
প্রচুর পানি পান করুন। শরীরের নানা অসুখ থেকে নিরাপদে এই পানি অনেক সাহায্য করে
3- লবণ কে না বলুনলবন যতটা এড়িয়ে চলোন। লবণ মেদ বাড়তে সাহায্য করে।তাই লবণের পরিবর্তে অন্যান্য মশলা ব্যবহার করুন
৪ -উচ্চ তৈলাক্ত খাবারকে না বলুন
উচ্চ তৈলাক্ত খাবার ও কোল্ড ড্রিস্কস গুলো শরীরের বিভিন্ন জায়গায় চর্বি জমায়। তাই পেট ও উরুর মেদ থেকে বাঁচতে তৈলাক্ত খাবার ও কোল্ড ড্রিঙ্কস পরিহার করুন
৫ -কাচা রসুন
সকাল বেলা কাঁচা রসুন চুষে খাওয়ার অভ্যাস করুন।এই চিকিৎসা টি শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করবে ও রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি করে।
৬- ব্যায়াম
মেদ কমাতে ব্যায়াম এর কোন বিকল্প নেই। শরীরের মেদ কমাত প্রতিদিন ব্যায়াম করার অভ্যাস করোন।
2 মন্তব্যসমূহ
useful article 4 health
উত্তরমুছুনBest of luck
উত্তরমুছুন